সাধারণ জ্বর (General Fever)- ১ম পর্বের পর ................
কারনঃ
১। বিভিন্ন
ইনফেকশন- যেমন ফোঁড়া, কার্বাংকল, ফুরাংকল।
২। টিস্যু নেক্রোসিস- যেমন
মায়োকর্ডিয়াল ইনফেকশন, আর্থাইটিস, রিউমাটিক ফিভার বা বাতজ্বর।
৩। পাইরোজেন
প্রোস্টাগ্লান্ডিন নামক কেমিক্যাল মেডিয়েটর
৪। ব্যাকটেরিয়াল
প্রডাক্ট - স্টাফাইলোকক্কাস অরিয়াস, স্ট্রেপটোকক্কাস পায়োজেন্স।
৫। ভাইরাসজনিত
প্রদাহ যেমন সর্দি জ্বর, কাশি, ডেঙ্গু, হুপিংকাশি, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া ইত্যাদি।
৬। যে কোনও কোষ কলা অর্গানের প্রদাহজনিত রোগ যেমন মেনিনজাইটিস, একুইট অস্টিওমাইলাইটিস, একুইট গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস, একুইট হেপাটাইটিস।
৭। অটোইমিউন
রোগ যেমন এসএলই, ইমুনোলজিক্যাল রিঅ্যাকশন।
৮। যে
কোন টিস্যু বা অর্গান এর ক্যান্সারের কারণে।
৯। দীর্ঘস্থায়ী
প্রদাহ বা ক্রনিক ইনফেকশন, যেমন যক্ষ্মা রোগ।
১০। মহিলা ও পুরুষদের জননতন্ত্রের প্রদাহ। যেমন প্রস্রাবে
ইনফেকশন, প্রস্রাবের নালিতে ইনফেকশন, মেয়েদের অ্যান্ডোমেট্রাইটিস, সার্ভিসাইটিস, উফুরাইটিস, সালফিনজাইটিস ছেলেদের প্রস্টেটাইটিস, ইপিডিডাইমাইটিস, অরকাইটিস।
১১। পরজীবী ঘটিত রোগ, যেমন ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, ট্রিপোনোসোমা ইত্যাদি।
১২। মৌসুমের সঙ্গে সঙ্গে শীতে, ঠান্ডায়, গরমে, বর্ষায় বা ধুলাবালিতে।
১৩। অ্যালার্জিজনিত কারনে।
১৪। ধুলোমাখা কার্পেট, আলো-বাতাসহীন ভ্যাপসা ঘর, এমনকি পোষা প্রাণী, পাখি বা ফুলগাছের রেণু।
১৫। নাক
ও সাইনাসের অসুখের কারণে।
১৬। ধূমপানে। ১৭। গলাব্যথায়। ১৮। বংশগত। ১৯। অজানা।
লক্ষণ ও উপসর্গঃ
১) শরীরে তাপ বৃদ্ধি পাওয়া
২) ক্লান্তি বোধ করা
৩) মাথা ব্যাথা
৪) মাথা ভারী হয়ে থাকা
৫) শরীরে ব্যাথা
৬) গলা ব্যাথা
৭) বুকে ব্যাথা
৮) পেটে অস্বস্তি বোধ করা
৯) বন্ধ নাক হয়ে যাওয়া
১০) কাশি ও খুসখুস কাশি
১১) গলা খুসখুস
১২) সাইনাসের ব্যথা
১৩) চোখ জ্বালা পোড়া করা
১৪) নাক দিয়ে পানি পড়া
১৫) শরীর খারাপ (অস্বস্তি বা ম্যাসম্যাস) লাগা
১৬) শরীর দুর্বল লাগা
১৭) খাবারে অরুচি
১৮) বমি বমি ভাব বা বমি
১৯) শ্বাস কষ্ট
২০) মল-মূত্রে সমস্যা হওয়া
জ্বরের কারণ বের করার জন্য যে টেস্ট করা হয়
১) রক্তের সাধারণ টেস্ট টিসি, ডিসি ইএসআর। এগুলোর মান
স্বাভাবিক থেকে বেশি হবে।
২) একুইট পর্যায়ে প্রোটিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায়
বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
৩) এক্সরে চেস্ট।
৪) সিটি স্ক্যান/এমআরআই।
৫) রক্তের বিশেষ পরীক্ষা যেমন Widal, Febrile
antigen
৬) বডি ফ্লুয়িড পরীক্ষায় যেমন CSF ও অন্যান্য বডিফ্লুয়িড।
৭) পরজীবী যেমন ফাইলেরিয়া, ম্যালেরিয়া।
৮) দীর্ঘস্থায়ী রোগ যেমন যক্ষ্মার জন্য পিসিআর, এএফবি, কালচার সেনসিটিভিটি।
৯) ক্যান্সার রোগ নির্ণয়ের জন্য এফএনএসি সাইটোলজি, বায়োপসি, লিমফোমা ও লিউকেমিয়া প্যানেল।
লেখকঃ ডাঃ বিজন বিশ্বাস, ক্লিনিক্যাল ফিজিওথেরাপিস্ট – প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র, রূপসা, খুলনা এবং পরিচালক – আদিত্য ক্লিনিক। স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক –দৈনিক সুবর্ণ নিউজ। মোবাঃ ০১৬১১-১৮১৬৫৭।


No comments:
Post a Comment